স্বপ্ন হলো সত্যি

চেষ্টা চেষ্টা এবং চেষ্টা , সফলতা আসবেই

ছোটো বেলা থেকেই গণিতের প্রতি খুব ঝোক ছিলো , ভালোবাসতাম খুব , এমনও দিন গেছে একই অংক বার বার করতাম , খুব ইচ্ছা ছিলো এস্ট্রনাট হব, নাসাতে যাবো, হব দেশের বিখ্যাত পদার্থবিদ । কিন্তু যখন আরো বড় হলাম , স্বপ্ন দেখলাম ইঞ্জিনিয়ারিং এর, বুয়েট এর । রেজাল্টও আলহামদুলিল্লাহ ভালোই ছিলো ।
বিপাকটা বাধলো এইচ এস সি এক্সামের পর, বাবা বললেন তার খুব ইচ্ছা ডক্টর ছেলে, যদিও কোনো প্রেশার দেননি তবুও ভাবলাম ডক্টর হইলেও এস্ট্রনাট হউয়া যাবে, প্রবেশ করলাম সম্পুর্ণ নতুন এক জগতে, যেখানে সুধুই মুখস্থ, মুখস্থ আর মুখস্থ , যেখানে আমার গণিত জগতের সব যুক্তি, সমীকরণ সবই অসাড়। ফলাফল একের পর পরাজয়, চিন্তিত , কুচকানো ভ্রু যা দ্রুতই হতাশায় পরিনত হল, একের পর এক নির্ঘুম রাত যতটা না পড়া হত তার চেয়ে বেশী হতাশায় কাটতে লাগলো ।।
হতাশা, আত্ববিশ্বাস হারানো কখোনই ভালো কিছু দিতে পারে না , একটুর জন্যে হাত ফস্কে গেলো মেডিকেলের সোনার হরিণ, পজিশন ৪০৪১। এগিয়ে আসলো আমার পরিবার, সবাই সাহস দিতে লাগলো, “আবার চেষ্টা কর, এইবার ইনশাআল্লাহ হবে” । ইতোমধ্যে ঢাকা ইউনিভার্সিটির এক্সামও দিলাম, চেষ্টা করলাম, যেনো জিদ চেপে গেছে, কখন কোথায় কি হয়েছে, কোথায় হেরেছি, কোথায় জিতেছি ভুলে গেলাম, রেসাল্ট আসলো , পজিশন ৩১৫০ , চান্স পেলাম , কিন্তু কপাল খারাপ, সেকেন্ড টাইম ও মেডিকেল হল না, মুষড়ে পরলাম, একেবারেই ভেঙ্গে পরলাম।
কথায় আছে, যার বিয়া তার খবর নাই, পারা-পড়শির ঘুম নাই, অনেক কথা আসতে লাগলো কানে, জিদটা এবার যুদ্ধে পরিণত হল, দিন নাই, রাত নাই, শুরু করলাম পড়া সব কিছু কেয়ার না করেই, ফলাফল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আই আই টি তে চান্স, ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে অ্যাপ্লাইড স্ট্যাটিসটিক্স পেলাম । সব শেষে এইটাই বলব, যত বাধা আসুক,পরাজয় আসুক,যতই ভেঙ্গে পরুন, হাল ছারবেননা, চেষ্টা ছারবেন না, ইনশাআল্লাহ সফলতা আসবেই।
তখন একটা জিনিস খুব বিরক্ত লাগত, ফার্মগেটের জ্যাম, ২-৩ ঘন্টা আসা যাওয়া সহ প্রায় অর্ধেক দিনটাই কোচিং এ চলে যেত, আর রোজার দিনের কস্টের কথা কি বলব, তখন ভাবতাম দিনটা কেনো ৪৮ঘন্টায় হয় না অথবা এমন কিছু যদি পেতাম যে বাসায় বসেই ভর্তির উপযুক্ত এবং সম্পুর্ণ প্রিপারেশন নিতে পারতাম, আজ রাফখাতা সেই সুযোগটা সবাইকে করে দিলো, রাফখাতার প্রতি রইলো শুভেচ্ছা আর সকল পরীক্ষার্থীদের প্রতি শুভকামনা, চেষ্টা করা কখোন ছেরো না ।
মোঃ রাজন হোসেন
ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ
ইন্সটিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজী
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

1

ধৈর্যই সাফল্যের চাবিকাঠি

এইচ এস সি এর পরের সময়টুকু প্রতিটা শিক্ষার্থীর জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ সময়।এসময় সবাই ই ভেবে পায় না কি করবে কোথায় যাবে কিভাবে পড়বে।কি কেন কিভাবে প্রশ্ন মাথায় ঘুরতে থাকে অবিরত।এ সময়ের সঠিক চিন্তাই সামনের বাকি দিন গুলোতে চলার পথ মসৃণ করে দেয়। ২০১২ তে নটরডেম থেকে এই এস সি দেই। পরীক্ষার পর পর ই ভর্তি কোচিং এ যাওয়া শুরু করি। প্রাথমিক পার্ফরমেন্স ভালোই ছিল। প্রতি সপ্তাহের র‍্যাংক এর বিচারে ভালই অবস্থান ছিল। ইচ্ছে ছিল বুয়েট এ কম্পিউটার সাইন্স নিইয়ে পড়ার।কিন্তু সেই ইচ্ছেতে বালি ঢেলে দিলো এইচ এস সি এর ফলাফল। পদার্থবিজ্ঞানে এ+ মিস করলাম। এক রাশ হতাশা নিয়ে কোচিং এ যাওয়া বন্ধ করে দিলাম,পড়াশুনো করব না ভেবে নিলাম। বাবা মা আর বন্ধুরা বুঝাতে লাগলো এখানেই জীবন টা শেষ না,পুরো জীবন ই পরে আছে।বুয়েট ছাড়াও ভালো চান্স হয়,পড়াশুনা হয়।
নতুন উদ্যমে আবার পড়াশুনা শুরু হলো।বইয়ের প্রতিটা অধ্যায় রিডিং পড়ে গেলাম,খুঁটিনাটি বিষয় গুলো বড় ভাইয়াদের দেখানো নিয়ম অনুসারে মনে রাখলাম।প্রতিটা চ্যাপ্টার পড়া শেষে বিভিন্ন কোচিং এর মডেল টেস্ট এর প্রশ্ন গুলো এবং ভর্তি গাইডের মডেল প্রশ্ন গুলো দিয়ে পরীক্ষা দিতাম কিন্তু নিজের অবস্থান কেমন তা জানতে পারতাম না ।সারা দেশের অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীর তুলনায় আমার অবস্থা কেমন,আমার পজিশন কত?এসব নিয়ে খুব আগ্রহ ছিল , জানতে ইচ্ছা করত সারা দেশে আমার পজিশন । যাই হোক ,অবশেষে মনে হলো হতাশা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। এরপর ভর্তিযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়ে আজ জাহাঙ্গীরনগরের প্রাণরসায়ণ ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগে পড়ছি । সবাইকে শুধু এটাই বলব , ভর্তিযুদ্ধ কোন নির্দিষ্ট মার্ক্স এর উপর সীমাবদ্ধ না যে ৮০ পাইলেই চান্স , এখানে কে সব থেকে ভাল তা যাচাই করার পরীক্ষা । সীমিত সংখ্যক আসন কিন্তু অসংখ্য পরীক্ষার্থী । মন দিয়ে পর , সাফল্য আসবেই । আমি একটা কথা বিশ্বাস করি , শেষ বলে কিছু নেই , শেষ মানেই শুরু আয়োজন ।
পঙ্কজ দত্ত
নটরডেম কলেজ , ঢাকা
প্রাণরসায়ণ ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

2

চেষ্টা এবং ইচ্ছাশক্তি - সফলতা আসবেই

ভর্তি পরীক্ষা বলো আর ভর্তিযুদ্ধ বলো, কোনটাই আসলে বুঝতাম না, যতক্ষণ এটার সম্মুখীন না হয়েছিলাম। স্কুল লাইফটা অনেকটা সময় নিয়ে শেষ হলেও কলেজ লাইফটা কখন কিভাবে শেষ হলো বুঝতেই পারিনি। পড়তাম ঢাকা কলেজে, আর বাসা ছিল সাভারে। তাই কলেজ লাইফটা আমার কলেজ যাওয়া আসার মধ্যেই কেটে গেছে বলতে গেলে। ইচ্ছে ছিল মেডিকেলে পড়ার, এমন না যে চান্স পেতেই হবে, বাবা-মা চাইত, তাই হয়ত আমিও একটু একটু চাইতাম। যাই হোক, মেডিকেল-ইঞ্জিনিয়ারিং দুইটা কোচিংএই ভর্তি হলাম। দুই একদিন কোচিং করে বুঝলাম মেডিকেল আমার জন্য না, কারণ মজা পাচ্ছিলাম না। আসলে কোন কিছুর প্রতি মজা না পেলে সেটা মন থেকে করা যায় না। তাই ইঞ্জিনিয়ারিং কোচিং করতে লাগলাম, আর বাকি আট-দশটা ছেলেদের মত ইঞ্জিনিয়ারিং মানেই বুয়েট এর স্বপ্ন দেখা শুরু করলাম। এইচএসসি এর রেজাল্ট হলো, বাংলা-ইংলিশে প্লাস মিস, বুঝলাম যে স্বপ্ন আমার স্বপ্নই রয়ে গেল। বাসা থেকে অনেক সাপোর্ট পেয়েছিলাম, যার জন্যই হয়ত স্থির ছিলাম ওই সময়টায়। এখন ভালো একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো একটা বিষয়ে তো চান্স পেতেই হবে। তো একটু-আকটু করে পড়তে শুরু করলাম। ঢাকায় যেয়ে-এসে কোচিং করতে হতো, আবার বাসায়ও তো একটু পড়তে হয়, আসলে সব মিলিয়ে অনেক হাপিয়ে উঠেছিলাম। পরিশেষে আল্লাহের রহমতে বাসার কাছেই চান্স হয়ে গেল।
তোমাদের জন্য এটাই বলবো, ভর্তি পরীক্ষার সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, নষ্ট না করে কাজের লাগানোই টা হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। Rafkhata.com তোমাদের জন্য যা সুবিধা দিচ্ছে, তা আসলেই প্রশংসার যোগ্য। ঘরে বসেই তুমি ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারছো, যা আমাদের সেই সময় থাকলে হয়ত আমাদের অনেকটা কষ্ট কম হতো। Rafkhata.com কে জানাই ধন্যবাদ আর তোমাদের প্রতি রইল শুভ কামনা, যেন তোমরা তোমাদের লক্ষ্য পূরণ করতে পারো।
মোহাম্মাদ রফিকুল হক
ঢাকা কলেজ
আই.আই.টি. – জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

3

ভর্তি পরীক্ষা সম্পর্কে আমাদের যে ধারণা

ভর্তি পরীক্ষা মানেই ১৯ বছরের হিসাব করতে হবে ৩ মাসে। পৃথিবীতে এমন কোন সংস্থা কিংবা সংগঠন আছে কিনা আমার জানা নেই যারা ১৯ বছরের লেনদেন ৩ মাসে করে । তবে এই হিসাব না মিলাতে না পারলে বাংলাদেশের ছাত্রছাত্রীদের হারাতে হয় তার সারা জীবনে অর্জিত ভাল ছাত্রের মুকুট। শুনতে হবে “ছেলের মাথায় কিছুই নাই” যা অবজ্ঞা ও তিরস্কার প্রকাশক। একটু সচেতন হলেই ১৯ কেন ৩০ বছরের হিসাব করা সম্ভব ৩ মাসে কিন্তু কিভাবে ?
গ্রাম্য সুচিঃ গ্রাম্যসুচি আধুনিক একটি রোগের নাম যা শিক্ষার ক্ষেত্রে ন্যাক্কারজনক ভুমিকা পালন করে কিন্তু আমরা হয়ত ভুলে গেছি বাংলাদেশের ৬৬% মানুষ গ্রামে বাস করে আর সারা পৃথিবীর ৪৭% মানুষ গ্রামে বাস করে। গ্রামে শিক্ষিতের হার ৫৭.৫৩% যা কিনা শহরে ৫৪.১৯%। আবার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও গ্রামের ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা অনেক গুনেই বেশি। তাহলে কেন এই রোগ কে আধুনিক রোগ ভেবে হাল ছেড়ে দিব??
মেধা একটি আদর্শ এককঃ আমাদের দেশের অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী মেধাকে কে পরিমাপের একক চিন্তা করে। তারা ভাবে আমার বন্ধু ২ ঘন্টা পড়ে আমাকে ২ ঘণ্টাই পড়তে হবে মানে বন্ধুর মাথা একটি একক। কিসের একক ?? উত্তরঃ মেধার একক। ১৯ বছরের হিসাব মিলাতে গেলে বন্ধুর চিন্তা করলে হিসাব মিলবে না পাগল হয়ে গান গাইতে হবে মনে মনে এক মন না হলে মিলবে না ওজন।
আমিও পারি না বাবা-মাও ছাড়ে নাঃ এই সমস্যাটি একুশ শতকের সব থেকে ভয়াবহ সমস্যা বিবেচনা করা যেতে পারে। আমাদের বাবা মা জন্মের পর গায়ের রং দেখে বলে দিতে পারে আমার ছেলে ডাক্তার হবে, ইঞ্জিনিয়ার হবে নাকি ক্যাডার (বি. সি. এস) হবে। এটা একেবারে অহেতুক নয় কারন বাবা মা আমাদের ভাল এবং তারা যা হতে পারে না তাই আশা করে বসে থাকে। আমাদের জানতে হবে তিন রাস্তায় গিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানো যাবে না যেকোন এক রাস্তায় যেতে হবে।
ইচ্ছা যেকোন বাধার পরিপন্থী সেটা হতে পারে দারিদ্রতার আমাদের দেশে অনেকে এইচ এস সি পাশ করেই পড়াশোনা থেকে ছিটকে পরে অর্থের অভাবে। এই ছিটকে পড়াকে আমি কোন ভাবেই মেনে নিতে পারি না কেন না গরীব হয়েও প্রতিষ্ঠিত উচ্চ শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা দেশে, এমন কি বাইরের দেশেও। কেউ যদি টাকাকে প্রধান করে দেখে তবে আমি বলব আপনি আতিউর রাহমানের জীবনী টা একবার পরে নিবেন, t20 World Cup জয়ী অধিনায়ক ড্যারেন সামির বিশবকাপ জয়ের পরের বক্তব্য শুনে নিবেন ------
নিরন্তন প্রচেষ্টাই সাফল্যের মুখ দেখাতে পারে ।
সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ।
আসলাম হুসিন
তথ্য প্রযুক্তি বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

4

কষ্টের পর সাফল্য খুবই মিষ্টি

ভর্তি পরীক্ষা খুব সম্ভবত ছাত্রজীবনের সবচেয়ে কঠিনতম পরীক্ষার মধ্যে অন্যতম। এক সিটের বিপরীতে হাজার হাজার ছাত্র ছাত্রীর প্রতিযোগিতা।সঠিক সময়ের সঠিক চিন্তাই পারে এই কঠিন পরীক্ষায় সফল হয়ে সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে।

আমি ২০১৩ সালের পরীক্ষার্থী। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বো। সেই ইচ্ছার জের ধরেই ইঙ্গিনিয়ারিং কোচিং এ ভর্তি হওয়া।কিছুদিন কোচিং করার পরে যখন ফলাফল দিলো তখন মাথায় আকাশ ভেঙে পরলো। জিপিএ ৫ আসে নাই। ইঞ্জিনিয়ারিং তো দূরে থাক ভার্সিটিতেও হয়তো ভর্তি হতে পারবো না, এই পরিস্থিতি। এই বাজে ফলাফল দিয়ে কিছুই হবে না।অনেকেই অনেক কটুক্তি করেছে। নিজের কাছে নিজেকে খুব ছোট লাগতো। পরে ভাবলাম যদি কোথাও ভর্তি হতে না পারি তাহলে আরও ছিটকে পরতে হবে। চেষ্টা শুরু করে দিলাম।হতাশার পরিমাণ বাড়তে লাগলো যখন দেখালাম কোথাও সুযোগ হচ্ছে না।বন্ধুদের অনেকেই ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে আর যাদের হয় নাই তারাও কোথাও না কোথাও ভর্তি হয়ে গেছে এমন পরিস্থিতিতে ২য় বারের মত পরীক্ষা দেয়ার সিদ্ধান্ত সত্যিই খুব কঠিন ছিল।নিজের ব্যর্থতা, বাবা মার স্বপ্ন পূরণে ব্যর্থতা, সবার অমতে ২য় বারের মত পরীক্ষার প্রস্তুতি, প্রতিবেশীদের কথা সব মিলিয়ে পরিস্থিতি খুব একটা সহজ ছিল না। তারপরেও হাল ছাড়ি নাই। চেষ্টা করে গেছি। শেষ পর্যন্ত সবকিছুই সহজ হয়ে যাচ্ছিলো যখন ভার্সিটিতে চান্স পাওয়া শুরু করেছি। অপেক্ষা শুধু কাঙ্ক্ষিত বিষয়।
মেধা একটি আদর্শ এককঃ আমাদের দেশের অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী মেধাকে কে পরিমাপের একক চিন্তা করে। তারা ভাবে আমার বন্ধু ২ ঘন্টা পড়ে আমাকে ২ ঘণ্টাই পড়তে হবে মানে বন্ধুর মাথা একটি একক। কিসের একক ?? উত্তরঃ মেধার একক। ১৯ বছরের হিসাব মিলাতে গেলে বন্ধুর চিন্তা করলে হিসাব মিলবে না পাগল হয়ে গান গাইতে হবে মনে মনে এক মন না হলে মিলবে না ওজন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য পড়াশুনা অবশ্যই দরকার, সাথে দরকার সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত। সঠিক সিদ্ধান্তের অভাবে অনেকেই তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়।হতাশাকে বাক্সবন্দী করে নিজের উপর বিশ্বাস রেখে পড়াশুনা চালিয়ে গেলেই কাঙ্ক্ষিত জয়ের লক্ষ্যে তবেই পৌঁছানো সম্ভব।সবার জন্য শুভ কামনা রইলো।
অলিউর রহমান
পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

5

আত্মবিশ্বাস,পরিশ্রম আর সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ

এই তিনটির সমন্বয় হলে সাফল্য আসবেই। তাই বলে শুধু ভাগ্যের উপর ভরসা নয় কঠোর পরিশ্রম প্রথমে প্রয়োজন। H.S.C খুব দ্রুতই ফুরিয়ে যায়। কিন্তু এই সময় টাই সবচেয়ে উপযুক্ত তোমার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার জন্য। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার ভর্তিযুদ্ধ নামক বেড়া টপকিয়ে নিজের স্বপ্ন পুরণের জন্য। এই সময়ের প্রতিটি মুহূর্ত তোমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য। কিন্তু কিভাবে নিজেকে প্রস্তুত করবে ? আমরা প্রতিযোগিতার জন্য এবং নিজের প্রস্তুতির কোথায় কোন ঘাটতি আছে কি না, থাকলে তা পূরণ করার জন্য বিভিন্ন কোচিং এ ভর্তি হয়। আমিও ভর্তি হয়েছিলাম। কিন্তু কোচিং এ যাতায়াত এর জন্য একটু বেশিই সময় অপচয় হত, আর অনেক ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা শুধুই কোচিং এ সীমাবদ্ধ থাকত। এর ফলে প্রস্তুতির ঘাটতি তা নজরে পড়ত না। নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য Rafkhata তোমাকে দিচ্ছে প্রতিযোগিতার সুবিশাল প্লাটফর্ম। সাথে বিগত সময়ের প্রশ্নব্যাংক। পড়ার ফাঁকেফাঁকে আমরা অযথাই সময় নষ্ট করি, কিন্তু Rafkhata এর মাধ্যমে সময়ের সুষ্ঠু ব্যবহার করতে পার। একজন মেডিকেল স্টুডেন্ট হিসেবে মনে করি আমাদের সময় Rafkhata পেলে আমার প্রস্তুতি আরও সহজ হত। এখানে জীববিজ্ঞান এর বিষয় গুলো সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করার পাশাপাশি পদার্থ বিজ্ঞান এবং রসায়ন এর বিষয় গুলো যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তা কোন কোচিং সেন্টার এর চেয়ে কোন অংশে কম না। তাছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এর জন্য প্রস্তুতি নিতে বিগত প্রশ্নগুলো অনেক হেল্পফুল হবে। স্বপ্ন দেখার এবং তা বাস্তবায়ন করার অধিকার তোমারই। Rafkhata এর মাধ্যমে নিজের দক্ষতা যাচাই এবং দূর্বলতা গুলো খুজে বের করে তোমার স্বপ্নপূরণে এগিয়ে যাও।। Rafkhata কে ধন্যবাদ, তোমাদের প্রস্ততি সুন্দর হোক এবং তোমাদের জন্য শুভ কামনা রইল।। মোঃ রাব্বি হোসেন
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, ঢাকা

5